ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম ১০০+ অর্থসহ

নাম কোনো মানুষের ব্যাক্তিত্ব কে ফুটিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই নাম রাখার ক্ষেত্রে ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। সুন্দর অর্থবহ একটি নাম প্রতিটি মানুষের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে।
ফ-দিয়ে-মেয়েদের-ইসলামিক-নাম-১০০+-অর্থসহ
আপনারা যারা কন্যা সন্তানের জন্য ফ অক্ষর দিয়ে ইসলামিক নাম খুজতেছেন তাদের জন্য এই আর্টিকেলটিতে ১০০+ ইসলামিক নাম একত্রিত করা আছে। সেইসাথে আর্টিকেলটিতে ফ দিয়ে মেয়েদের আধুনিক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করছি এখান থেকে একটি নাম আপনার মেয়ের জন্য পছন্দ হবে।

ফ দিয়ে মেয়েদের আধুনিক নাম

আমরা অনেকেই আছি যারা পিতা-মাতার নামের সাথে মিল রেখে সন্তানের নাম রাখার চেষ্টা করে থাকি। যেমন, পিতা-মাতার নামের প্রথম অক্ষরের সাথে মিল রেখে সন্তানের নাম রাখার চেষ্টা করি বা খুজে থাকি। প্রিয় পাঠক, আপনি যদি ফ অক্ষর দিয়ে আপনার সন্তানের আধুনিক নাম রাখতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
আর্টিকেলের এই অংশে ফ দিয়ে মেয়েদের কিছু আধুনিক নাম উল্লেখ করা হলোঃ
(১-৩০)                  (৩১-৬০)               
1. ফারাহ (আনন্দ, খুশি)31. ফাওরাহ (শক্তি, উদ্যম)
2. ফাতিমা (মর্যাদাপূর্ণ)32. ফিদওয়া (ত্যাগ, আত্মোৎসর্গ)
3. ফারজানা (জ্ঞানী, বিচক্ষণ)33. ফারহা (আনন্দিত)
4. ফাইজা (সফল, বিজয়ী)34. ফাত্তা (যুবতী, মেয়ের মর্যাদা)
5. ফাওজিয়া (বিজয়ী নারী)35. ফালাহ (সফলতা)
6. ফাহমা (বুদ্ধিমতী)36. ফারওয়ানা (মূল্যবান)
7. ফারিদা (অনন্য, অতুলনীয়)37. ফাজিলা (মহৎ, গুণবতী)
8. ফাতিহা (বিজয়, শুরু)38. ফাওরিয়া (তাত্ক্ষণিক)
9. ফারহানা (সুখী, আনন্দিত)39. ফাহদা (সাহসী মেয়ে)
10. ফাসিহা (বাচনশিল্পী, স্পষ্টভাষী)40. ফিদা (আত্মোৎসর্গ)
11. ফারহাত (খুশি, আনন্দ)41. ফাইদা (উপকারী, লাভজনক)
12. ফাহমিদা (প্রজ্ঞাবান)42. ফারহানা (সুখী, আনন্দিত)
13. ফাইরুজ (রত্নপাথর, মূল্যবান)43. ফাওয়াজা (সফলতা)
14. ফাওজুন (সফলতা, উন্নতি)44. ফাইমা (মূল্যবান)
15. ফিরদাউস (জান্নাতের উচ্চ স্থান)45. ফাতিনা (মোহময়ী, আকর্ষণীয়)
16. ফাওয়াদ (অন্তর, হৃদয়)46. ফাওসিয়া (বিজয়ী)
17. ফালাহা (কল্যাণ, সফলতা)47. ফারজিনা (বিচক্ষণ)
18. ফারাহিন (আনন্দিত, খুশি)48. ফারিশা (নবীন, সৃষ্টিশীল)
19. ফাওজা (বিজয়ী)49. ফাওরিনা (শক্তিশালী)
20. ফাতিনা (আকর্ষণীয়, মোহময়ী)50. ফাইদা (সুফল, কল্যাণ)
21. ফারিশতা (দেবদূত, নিষ্পাপ)51. ফাজিয়া (বিস্ময়কর, অনন্য)
22. ফাইসালা (নির্ধারক, বিচারক)52. ফাওফি (প্রিয়)
23. ফারজিনা (বিচক্ষণ, গুণী)53. ফাহরা (গৌরব)
24. ফাহারা (পবিত্র, সুন্দর)54. ফাইজা (সফল)
25. ফারহাদ (আনন্দময়)55. ফাওজা (বিজয়ী)
26. ফাহিমা (প্রজ্ঞাবান)56. ফারহাম (দয়ালু)
27. ফাওজা (সফলতা)57. ফারিসা (সুন্দর)
28. ফাসিলা (বিভাজক, বিচক্ষণ)58. ফাতিমা জান্নাত (জান্নাতের ফাতিমা)
29. ফাইয়ানা (বিশ্বস্ত, সৎ)59. ফিদওয়া (ত্যাগ)
30. ফাজিলা (মর্যাদা, গুণ)60. ফাতিনা নূর (আলোর আকর্ষণ)

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

রাসুলুল্লাহ(সা:) নামের প্রতি বিশেষভাবে আলোকপাত করার কথা বলেছেন। তিনি আমাদেরকে সবসময় সুন্দর ও অর্থবহ নাম রাখার কথা বলেছেন। যে নামের দ্বারা আল্লাহর গুণ ও মহিমার প্রকাশ পায় তিনি আমাদেরকে সেইসকল নাম রাখার কথা বলেছেন।

তার সাহাবীগণের মধ্যে যাদের নামের অর্থ খারাপ বা কোনো মন্দ বিষয়কে ইঙ্গিত করেছে তাদের নাম পরিবর্তন করে ইসলামিক নাম রেখেছেন। নামের দ্বারা কোনো মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও বংশ পরিচয়ের আভাস পাওয়া যায়। আপনারা যারা ফ অক্ষর দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম খুজতেছেন, তাদের জন্য আর্টিকেলের এই অংশে ১০০+ মেয়েদের ইসলামিক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করছি এই নামগুলোর মধ্যে থেকে আপনি আপনার মেয়ের জন্য একটি সুন্দর অ অর্থবহ না খুজে পাবেনঃ

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম
ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম

ফ দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম

ইসলামে পুরুষ সাহাবীদের পাশাপাশি মহিলা সাহাবীদের কর্তৃত্ব রয়েছে। আমরা অনেকেই আমাদের সন্তানদের নাম সাহাবীদের নামের সাথে মিল রেখে দিতে চাই। এজন্য আমরা বিভিন্ন জায়গাতে পুরুষ/মহিলা সাহাবীদের নাম খুজে থাকি। আপনারা যারা ফ অক্ষর দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম খুজছেন তাদের জন্য নিচে কিছু ফ দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ
  • ফাতিমা (রা.) – পবিত্র, একা মহীয়সী
    তাৎপর্য: তিনি রাসূল (সা.)-এর কন্যা, যার চরিত্র ও সাহস নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা।

  • ফাহমিনা (রা.) – বুদ্ধিমতী, জ্ঞানী
    তাৎপর্য: তার বুদ্ধি ও জ্ঞানের জন্য তিনি অনেক সাহাবীর কাছে পরামর্শদাতা ছিলেন।

  • ফারিশতা (রা.) – ফেরেশতা
    তাৎপর্য: তার চরিত্র ছিল অত্যন্ত বিশুদ্ধ, এবং তিনি আল্লাহর হুকুম মেনে চলতেন।

  • ফাতিমাহ (রা.) – পবিত্র, উত্তম
    তাৎপর্য: তিনি ইসলামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় চরিত্র, রাসূল (সা.)-এর প্রিয় কন্যা।

  • ফাহরা (রা.) – ফ্যাশন, সৌন্দর্য
    তাৎপর্য: তার সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ইসলামের আদর্শের প্রতীক ছিল।

  • ফারিদা (রা.) – বিরল, অমূল্য
    তাৎপর্য: তার মতো মহীয়সী নারী খুবই বিরল এবং অসামান্য ছিলেন।

  • ফাতিমাহ ইবনু আসাদ (রা.) – মহৎ মহিলা, সাহসী
    তাৎপর্য: তিনি সাহসী ও নিষ্ঠাবান ছিলেন, এবং ইসলামের প্রথম যুগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

  • ফারসিয়া (রা.) – শক্তিশালী, সাহসী
    তাৎপর্য: তিনি ইসলামের প্রচারের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

  • ফাওজা (রা.) – বিজয়ী, সফল
    তাৎপর্য: তার জীবনে ইসলামের জয় ও সাফল্য ছিল স্পষ্ট, তিনি ইসলামের প্রতি গভীর বিশ্বাস রাখতেন।

  • ফাঁতিমাহ (রা.) – শান্তিপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ
    তাৎপর্য: তার জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল শান্তি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি।

  • ফাতিমা বিনত আবু হুবায় (রা.) – পরিবারের শোভা
    তাৎপর্য: তিনি পরিবারের জন্য মর্যাদাপূর্ণ এবং শ্রদ্ধেয় ছিলেন।

  • ফাতিমাহ আল-জাহরাহ (রা.) – আল্লাহর প্রিয় সন্তান
    তাৎপর্য: তিনি ছিলেন রাসূল (সা.)-এর পছন্দসই এবং তাঁর আদর্শের প্রতিনিধিত্বকারী।

  • ফারাহ (রা.) – সুখী, খুশি
    তাৎপর্য: তার জীবন ছিল খুশি এবং পূর্ণতা, ইসলামের প্রতি তার আবেগ ছিল অটুট।

  • ফারিসাহ (রা.) – বিজয়ী, স্বাধীন
    তাৎপর্য: তিনি সবসময় ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য সংগ্রাম করেছেন।

  • ফাইসাহ (রা.) – সফল, পূর্ণতা
    তাৎপর্য: তার জীবন ছিল সফলতা ও ইসলামের পথে পূর্ণতা অর্জনের পথচলা।

  • ফাতিমাহ ইবনু মুদাহির (রা.) – সফল, আশীর্বাদ
    তাৎপর্য: তার জীবন ছিল আল্লাহর আশীর্বাদে ভরা এবং তিনি একজন সফল নারী ছিলেন।

  • ফিরদাউস (রা.) – পরকালীন সুখের স্থান, জান্নাত
    তাৎপর্য: তার পবিত্রতা তাকে জান্নাতের উচ্চতম স্থান লাভের পথ দেখিয়েছিল।

  • ফাতিমা বিনতে আসমা (রা.) – মহিলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ
    তাৎপর্য: তিনি ছিলেন মহিলাদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ, আল্লাহর পথে তার অবদান ছিল অমূল্য।

  • ফাওজা বিনতে মুহাম্মদ (রা.) – সফল, ঈমানদার
    তাৎপর্য: তার বিশ্বাস ও ধার্মিকতা তাকে ইসলামের আদর্শের প্রতীক করে তোলে।
  • ফাতিমা বিনতে মাক্কাহ (রা.) – আল্লাহর প্রিয়, পবিত্র
    তাৎপর্য: তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রিয়, এবং ইসলামের প্রথম যুগে তার ভূমিকা ছিল অনন্য।

লেখকের মন্তব্য

কোনো ব্যাক্তির নামের পেছনে থাকা সুন্দর একটি অর্থ সেই ব্যাক্তির ব্যাক্তিত্বকে বাড়িয়ে দেয়। আর ইসলামে একটি সুন্দর অর্থের নাম রাখার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আশা করছি এই আর্টিকেলটি থেকে আপনার পছন্দের ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম ও আধুনিক নামটি খুজে পেয়েছেন। এরকম আরও আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের ওয়য়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। আপনার করা প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url