জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম
ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। শান্তির ধর্ম ইসলামে প্রত্যেক মুসল্মান আল্লাহর হুকুম মেনে জীবন পরিচালনা করে মৃত্যুর পর পরকালে জান্নাতি হতে চায়। ইহকালে যারা আল্লাহর ইবাদত করে আলাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করবে কেবল তাদের জন্যই রয়েছে জান্নাতের পরম সুখ।
দুনিয়াতে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য মহানবী (সাঃ) এর সাথে পুরুষ সাহাবীদের পাশাপাশি মহিলা সাহাবীগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই আর্টিকেলটিতে দুনিয়াতে থাকাকালীন তাদের কাজের বিনিময় জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসাথে আর্টিকেলটিতে জান্নাতি ২০ মহিলা সাহাবীর নাম, ফ,র ও ত দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
জান্নাতি ২০ সাহাবীর নাম মহিলা
দুনিয়াতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের কাজে লিপ্ত থাকা অনেক মহিলা সাহাবী রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা ইনশাল্লাহ পরকালে জান্নাতে অবস্থান করবেন। এরকম জান্নাতি ২০ জন মহিলা সাহাবী র নাম নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
- খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ (রা.):অর্থ: "প্রথম মুসলিম নারী ও নবীর স্ত্রী।"
- আয়েশা বিনতে আবু বকর (রা.):অর্থ: "পবিত্র, নবীর প্রিয়তমা স্ত্রী।"
- ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ (রা.):অর্থ: "নবীর কন্যা ও পবিত্র নারী।"
- উম্মে সালমা (হিন্দ বিনতে আবু উমাইয়া) (রা.):অর্থ: "সবরশীল ও জ্ঞানী নারী।"
- উম্মে হানী (ফাখিতা বিনতে আবু তালিব) (রা.):অর্থ: "প্রভুর আশীর্বাদ প্রাপ্ত।"
- উম্মে হাবিবা (রামলা বিনতে আবু সুফিয়ান) (রা.):অর্থ: "প্রিয়জনের মা।"
- আসমা বিনতে আবু বকর (রা.):অর্থ: "সত্যবাদী ও সাহসী নারী।"
- সুমাইয়া বিনতে খাব্বাত (রা.):অর্থ: "প্রথম শহীদ মুসলিম নারী।"
- জুবাইদা বিনতে জাফর (রা.):অর্থ: "সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ।"
- সাফিয়া বিনতে আবদুল মুত্তালিব (রা.):অর্থ: "নবীর ফুফু এবং সাহসী যোদ্ধা।"
- রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মদ (রা.):অর্থ: "পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতার প্রতীক।"
- উম্মে কুলসুম বিনতে মুহাম্মদ (রা.):অর্থ: "কল্যাণময়ী কন্যা।"
- জাইনাব বিনতে মুহাম্মদ (রা.):অর্থ: "নবীর বড় কন্যা ও বিনয়ী।"
- মাইমুনা বিনতে হারিস (রা.):অর্থ: "কল্যাণময় নারী।"
- উম্মে আম্মারা (নাসিবা বিনতে কা'ব) (রা.):অর্থ: "সাহসী ও যোদ্ধা নারী।"
- উম্মে ওয়ারা (রা.):অর্থ: "পরোপকারী ও দানশীল।"
- লুবাবা বিনতে হারিস (রা.):অর্থ: "বিশ্বস্ত নারী।"
- উম্মে ফজল (লুবাবা আল কুবরা) (রা.):অর্থ: "প্রভুর কাছে প্রিয়জন।"
- উম্মে গুলসুম (রা.):অর্থ: "স্নেহশীল ও নম্র।"
- আমেনা বিনতে ওহাব:অর্থ: "নবীর মা এবং জান্নাতের অভিজাত নারী।"
ফ দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম
ইসলাম প্রচারের কাজে মশগুল থাকা বিভিন্ন পুরুষ ও মহিলা সাহাবীগণের কথা আমরা হাদীসে পেয়েছি। এসকল সাহাবীগণ তাদের জীবন আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী পরিচালনার জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পেরেছেন। আমরা অনেকেই আমাদের সন্তানদের নাম এসকল সাহাবীদের নামের সাথে মিল রেখে নাম রাখতে চাই। আর্টিকেলের এই অংশে ফ দিয়ে কিছু মহিলা সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ
ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ (রা.)
নবী করিম (সা.) এর কন্যা।
ফাতিমা বিনতে আসাদ (রা.)
নবী (সা.) এর চাচি এবং আলী (রা.) এর মা।
ফাতিমা বিনতে খাত্তাব (রা.)
উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) এর বোন।
ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ (রা.)
সাহসী মহিলা যিনি মক্কার কুরাইশদের বিরুদ্ধেও ইসলাম রক্ষা করেছেন।
ফাতিমা বিনতে উতবা (রা.)
প্রথম যুগের মুসলিমদের মধ্যে একজন।
ফাতিমা বিনতে কায়েস (রা.)
শিক্ষিত এবং জ্ঞানী সাহাবিয়া।
ফাতিমা বিনতে হারিস (রা.)
ইসলামের প্রচারে অবদান রেখেছেন।
ফাতিমা বিনতে যায়েদ (রা.)
একজন সাহসী যোদ্ধা।
ফাতিমা বিনতে আওফ (রা.)
দানশীলতার জন্য প্রসিদ্ধ।
ফাতিমা বিনতে সাদ (রা.)
উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী।
ফারওয়া বিনতে আবদুল্লাহ (রা.)
ইসলামের প্রচার ও সেবা করেছেন।
ফারওয়া বিনতে আবদুল মুতালিব (রা.)
নবী (সা.) এর ফুফাতো বোন।
ফারওয়া বিনতে হানজালা (রা.)
ওহুদ যুদ্ধে আহত মুসলিমদের সেবা করেছেন।
ফারওয়া বিনতে হারিস (রা.)
সাহাবিদের প্রতি সহযোগী।
ফারওয়া বিনতে জাবের (রা.)
সাহাবিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ফারওয়া বিনতে সাদ (রা.)
ইসলামের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
ফারওয়া বিনতে সায়েদ (রা.)
সাহসী এবং প্রজ্ঞাবান।
ফাতিনা বিনতে উমাইর (রা.)
প্রাথমিক মুসলিমদের মধ্যে ছিলেন।
ফারওয়া বিনতে খুজাইমা (রা.)
মহানুভবতার জন্য প্রসিদ্ধ।
ফারওয়া বিনতে আসিম (রা.)
জ্ঞানী মহিলা।
ফারওয়া বিনতে সালিম (রা.)
নবীজীর আহ্বানে সাড়া দেওয়া একজন মহিলা।
ফারওয়া বিনতে আবু সুফিয়ান (রা.)
ইসলামের জন্য অবদান রেখেছেন।
ফারওয়া বিনতে নাওফাল (রা.)
মহান ইবাদতকারী।
ফারওয়া বিনতে রফিক (রা.)
দানশীল ও সহযোগিতাকারী।
ফারওয়া বিনতে খালিদ (রা.)
সাহসিকতায় খ্যাত।
ফারওয়া বিনতে উসমান (রা.)
ইসলামের একজন নীরব কর্মী।
ফারওয়া বিনতে আমির (রা.)
উহুদ যুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা।
ফারওয়া বিনতে মালিক (রা.)
ইসলামের মহান দাওয়াতকারিণী।
ফারওয়া বিনতে নাসের (রা.)
ইসলামের জন্য বিশেষ অবদান।
ফারওয়া বিনতে মুগীরা (রা.)
নবীজীর প্রতি অত্যন্ত ভক্ত।
র দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম
আপনারা যারা র অক্ষর দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম খুজতেছেন তাদের জন্য আর্টিকেলের এই অংশটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে র দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম ও নামের অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি চাইলে আপনার সন্তানের নাম এখানে উল্লেখ করা নামগুলোর সাথে মিল রেখে রাখতে পারেন। তাহলে চলুন র দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নামগুলো জেনে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুনঃ সূরা ইয়াসিন বাংলা উচ্চারণ অর্থ সহকারে
১.রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মদ (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর কন্যা এবং উসমান (রা.)-এর স্ত্রী।
২.রুকাইয়া বিনতে আলী (রা.):
আলী (রা.) এবং ফাতিমা (রা.)-এর কন্যা।
৩.রুমাইসা বিনতে মিলহান (উম্মে সুলাইম) (রা.):
আরও পড়ুনঃ সূরা ইয়াসিন বাংলা উচ্চারণ অর্থ সহকারে
১.রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মদ (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর কন্যা এবং উসমান (রা.)-এর স্ত্রী।
২.রুকাইয়া বিনতে আলী (রা.):
আলী (রা.) এবং ফাতিমা (রা.)-এর কন্যা।
৩.রুমাইসা বিনতে মিলহান (উম্মে সুলাইম) (রা.):
প্রখ্যাত সাহাবী আনাস বিন মালিক (রা.)-এর মা। সাহসী ও ধর্মপ্রাণ।
৪.রাহমা বিনতে আবদুল্লাহ (রা.):
প্রাথমিক মুসলিমদের একজন।
৫.রাবেয়া বিনতে নাওফাল (রা.):
ইসলামের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।
৬.রামলা বিনতে আবু সুফিয়ান (উম্মে হাবিবা) (রা.):
নবী (সা.)-এর স্ত্রী এবং মক্কার প্রসিদ্ধ কুরাইশ পরিবারের সদস্য।
৭.রাইহানা বিনতে যায়েদ (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর স্ত্রী এবং প্রাথমিক ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন।
৮.রুকাইয়া বিনতে খাত্তাব (রা.):
উমর (রা.)-এর পরিবারভুক্ত এবং সাহসী সাহাবী।
৯.রুবাই বিনতে মুআউওয়িজ (রা.):
ওহুদ যুদ্ধে আহত সাহাবীদের সেবা করেছেন।
১০.রায়হানা বিনতে শামস (রা.):
ইসলামের প্রচারক।
১১.রুবাইয়া বিনতে মালিক (রা.):
ইসলামের প্রাথমিক যুগে সক্রিয় সাহাবী।
১২.রাওদা বিনতে জাফর (রা.):
উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী।
১৩.রুকাইয়া বিনতে হানজালা (রা.):
ধর্মীয় শিক্ষায় অবদান রেখেছেন।
১৪.রাফেয়া বিনতে আওফ (রা.):
সহনশীল এবং ত্যাগী।
১৫.রুবাইয়া বিনতে হারিস (রা.):
নবীজীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল।
১৬.রুমানা বিনতে মুগীরা (রা.):
ইসলামের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মনিবেদনকারী।
১৭.রামসা বিনতে কায়েস (রা.):
ইসলামের প্রাথমিক যুগের সক্রিয় মহিলা।
১৮.রাহমা বিনতে সায়িদ (রা.):
ওহুদ যুদ্ধে সেবা প্রদান করেছেন।
১৯.রাশিদা বিনতে সালিম (রা.):
ইসলামের জন্য সংগ্রামকারী।
২০.রাফেয়া বিনতে আমির (রা.):
উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মহিলা সাহাবী।
২১.রুবাইয়া বিনতে আসিম (রা.):
নবীজীর প্রচেষ্টায় সমর্থনকারী।
২২.রামিসা বিনতে আওফ (রা.):
মদিনায় ইসলাম প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা।
২৩.রাফেয়া বিনতে খালিদ (রা.):
নবী (সা.)-এর একজন প্রিয় সাহাবী।
২৪.রুবাইয়া বিনতে মালিক (রা.):
ত্যাগী এবং ইসলাম প্রচারক।
২৫.রাইহানা বিনতে আওফ (রা.):
ইসলামের একজন অনুগত সাহাবী।
৪.রাহমা বিনতে আবদুল্লাহ (রা.):
প্রাথমিক মুসলিমদের একজন।
৫.রাবেয়া বিনতে নাওফাল (রা.):
ইসলামের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।
৬.রামলা বিনতে আবু সুফিয়ান (উম্মে হাবিবা) (রা.):
নবী (সা.)-এর স্ত্রী এবং মক্কার প্রসিদ্ধ কুরাইশ পরিবারের সদস্য।
৭.রাইহানা বিনতে যায়েদ (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর স্ত্রী এবং প্রাথমিক ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন।
৮.রুকাইয়া বিনতে খাত্তাব (রা.):
উমর (রা.)-এর পরিবারভুক্ত এবং সাহসী সাহাবী।
৯.রুবাই বিনতে মুআউওয়িজ (রা.):
ওহুদ যুদ্ধে আহত সাহাবীদের সেবা করেছেন।
১০.রায়হানা বিনতে শামস (রা.):
ইসলামের প্রচারক।
১১.রুবাইয়া বিনতে মালিক (রা.):
ইসলামের প্রাথমিক যুগে সক্রিয় সাহাবী।
১২.রাওদা বিনতে জাফর (রা.):
উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী।
১৩.রুকাইয়া বিনতে হানজালা (রা.):
ধর্মীয় শিক্ষায় অবদান রেখেছেন।
১৪.রাফেয়া বিনতে আওফ (রা.):
সহনশীল এবং ত্যাগী।
১৫.রুবাইয়া বিনতে হারিস (রা.):
নবীজীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল।
১৬.রুমানা বিনতে মুগীরা (রা.):
ইসলামের প্রতি সম্পূর্ণ আত্মনিবেদনকারী।
১৭.রামসা বিনতে কায়েস (রা.):
ইসলামের প্রাথমিক যুগের সক্রিয় মহিলা।
১৮.রাহমা বিনতে সায়িদ (রা.):
ওহুদ যুদ্ধে সেবা প্রদান করেছেন।
১৯.রাশিদা বিনতে সালিম (রা.):
ইসলামের জন্য সংগ্রামকারী।
২০.রাফেয়া বিনতে আমির (রা.):
উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মহিলা সাহাবী।
২১.রুবাইয়া বিনতে আসিম (রা.):
নবীজীর প্রচেষ্টায় সমর্থনকারী।
২২.রামিসা বিনতে আওফ (রা.):
মদিনায় ইসলাম প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা।
২৩.রাফেয়া বিনতে খালিদ (রা.):
নবী (সা.)-এর একজন প্রিয় সাহাবী।
২৪.রুবাইয়া বিনতে মালিক (রা.):
ত্যাগী এবং ইসলাম প্রচারক।
২৫.রাইহানা বিনতে আওফ (রা.):
ইসলামের একজন অনুগত সাহাবী।
জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম
আমাদের মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এ জীবনকালে পুরুষ সাহাবীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন মহিলা সাহাবীগণ তাদের জীবন আল্লাহ্ ও তার রাসূলের প্রতি বিশ্বাস রেখে আল্লাহ্ তায়ালার ইবাদতের কাজে পার করেছেন। তাদের জীবনকালে এসকল কাজের মাধ্যমে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে পরকালে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তাদের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে পরম করুণাময় আল্লাহ্ তায়ালা তাদেরকে পরকালে সরাসরি জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। নিচের তালিকা থেকে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম গুলো জেনে নিনঃ
ত দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম
আপনারা যারা ত অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া মহিলা সাহাবীদের নাম জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আর্টিকেলের এই অংশে ত দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ
তাহমিনা বিনতে আমর (রা.):
প্রাথমিক মুসলিমদের একজন, যিনি ইসলাম প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
তাহিয়া বিনতে আবদুল্লাহ (রা.):
ইসলামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একজন সাহাবী।
তাওয়াফা বিনতে হারিস (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর সময়ে দানশীলতার জন্য বিখ্যাত।
তাবাসসুমা বিনতে নোমান (রা.):
যুদ্ধের ময়দানে সাহসিকতার জন্য পরিচিত।
তামিমা বিনতে খালিদ (রা.):
ইসলামের জন্য অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
তারিফা বিনতে আবু বকর (রা.):
আবু বকর (রা.)-এর পরিবারভুক্ত এবং প্রাথমিক ইসলামে সক্রিয় ছিলেন।
তালিহা বিনতে সাঈদ (রা.):
নবীজীর প্রতি অগাধ বিশ্বাসী এবং ইসলাম প্রচারে উৎসাহী।
তাবাসুমা বিনতে আজিজ (রা.):
ইসলামের জন্য ত্যাগী ও পরিশ্রমী সাহাবী।
তাসমিনা বিনতে ওয়াহিদ (রা.):
মদিনায় ইসলামের প্রসারে ভূমিকা রেখেছিলেন।
তাহমিনা বিনতে কাব (রা.):
ইসলামের প্রথম যুগের নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম।
তাওবা বিনতে হাম্মাদ (রা.):
নবীজীর আনুগত্য এবং ইসলামের প্রচারে অবদান রেখেছিলেন।
তারিফা বিনতে উমর (রা.):
উমর (রা.)-এর পরিবারের সদস্য এবং ইসলামের প্রতি গভীরভাবে অনুগত।
তাহমিনা বিনতে ইয়াসিন (রা.):
ইসলামের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ একজন মহিলা সাহাবী।
তাসমিয়া বিনতে নাফিয়া (রা.):
নবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও ত্যাগের জন্য পরিচিত।
তাওহিদা বিনতে শাকির (রা.):
ইসলামের জন্য সর্বদা তৎপর এবং দানশীলতার জন্য বিখ্যাত।
প্রাথমিক মুসলিমদের একজন, যিনি ইসলাম প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
তাহিয়া বিনতে আবদুল্লাহ (রা.):
ইসলামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একজন সাহাবী।
তাওয়াফা বিনতে হারিস (রা.):
নবী করিম (সা.)-এর সময়ে দানশীলতার জন্য বিখ্যাত।
তাবাসসুমা বিনতে নোমান (রা.):
যুদ্ধের ময়দানে সাহসিকতার জন্য পরিচিত।
তামিমা বিনতে খালিদ (রা.):
ইসলামের জন্য অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
তারিফা বিনতে আবু বকর (রা.):
আবু বকর (রা.)-এর পরিবারভুক্ত এবং প্রাথমিক ইসলামে সক্রিয় ছিলেন।
তালিহা বিনতে সাঈদ (রা.):
নবীজীর প্রতি অগাধ বিশ্বাসী এবং ইসলাম প্রচারে উৎসাহী।
তাবাসুমা বিনতে আজিজ (রা.):
ইসলামের জন্য ত্যাগী ও পরিশ্রমী সাহাবী।
তাসমিনা বিনতে ওয়াহিদ (রা.):
মদিনায় ইসলামের প্রসারে ভূমিকা রেখেছিলেন।
তাহমিনা বিনতে কাব (রা.):
ইসলামের প্রথম যুগের নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম।
তাওবা বিনতে হাম্মাদ (রা.):
নবীজীর আনুগত্য এবং ইসলামের প্রচারে অবদান রেখেছিলেন।
তারিফা বিনতে উমর (রা.):
উমর (রা.)-এর পরিবারের সদস্য এবং ইসলামের প্রতি গভীরভাবে অনুগত।
তাহমিনা বিনতে ইয়াসিন (রা.):
ইসলামের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ একজন মহিলা সাহাবী।
তাসমিয়া বিনতে নাফিয়া (রা.):
নবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও ত্যাগের জন্য পরিচিত।
তাওহিদা বিনতে শাকির (রা.):
ইসলামের জন্য সর্বদা তৎপর এবং দানশীলতার জন্য বিখ্যাত।
লেখকের মন্তব্য
রাসূল (সাঃ) এর সময়ে ইসলাম প্রচারের কাজে যেসকল নারী-পুরুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করেছেন এবং তার দেখানো পথে নিজেদের জীবন পরিচালনা করেছেন এবং আল্লাহর রাসূলকে বিশ্বাস করে তাকে সমর্থন করেছেন তাদেরকে সাহাবী বলা হয়। আর এসব সাহাবীদেরকে আল্লাহ্ তায়ালা পরকালে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন।
প্রিয় পাঠক, এই আর্টিকেলটিতে সেইসকল জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে আর্টিকেলটি পড়লে আপনি জান্নাতি ২০ জন মহিলা সাহাবীদের নাম ও ফ,র ও ত দিয়ে মহিলা সাহাবীদের নাম জানতে পারবেন।
আশা করছি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়েছেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন। এরকম আরও আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটটি ঘুরে আসুন। ধন্যবাদ।
আমাদের ওয়য়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। আপনার করা প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url